কবুতর এর সাধারণ রোগগুলির মধ্যে ক্যাংকার একটি।এটি   ট্রাইকোমানাস গ্যালিনা বা ট্রিকোমোনাস কলম্বিয়া নামক এক প্রকার প্রোটোজোয়া নামক জিবানু দ্বারা হয়ে থাকে। কখনে কখনো প্রায় ৮০ শতাংশ কবুতর এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এ রোগে মৃত্যুহার শতকরা প্রায় ৫০ ভাগ।এ রোগ হলে কবুতর এর মধ্যে বিভিন্ন রকম লক্ষন দেখা দিতে পারে।

মুখে বা গলায় যদি হলুদাভ সাদা বস্তু দেখা যায় তবে সহজেই এই রোগের সনাক্ত করা যায়। তবে সব লক্ষন প্রকাশ নাউ দেখা দিতে পারে। মুখ থেকে শুরু করে এটি পাকস্থলীকে আক্রমণ করতে পারে।সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়ার সময়ে এটি বেশি দেখাদেয় এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক রা বেশি আক্রান্ত হয়।প্রাপ্তবয়স্ক কবুতর এই রোগের জিবানু বছরের পর বছর কোন লক্ষন ছারাই বহন করতে পারে এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ছরাতে পারে।প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে এ রোগ হালকা সংক্রমণ ঘটায় এবং তা পাকস্থলী পযুন্তুু ছরিয়ে দেয়।


রোগ এর প্রাথমিক লক্ষণঃ

১. মুখের ভেতরে ঘা এর মত দেখা দেয়।
২. খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিতে পারে।
৩. কবুতর এর ওজন কমে জাবে।
৪. চোখের চারিদিকে বা মুখের কনায় ঘা হতে  পারে।
৫. ডাইরিয়া হতে পারে।
৬. পানি গ্রহণের পরিমান বেরে যেতে পারে।
৭. শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
৮. কবুতর উরার ক্ষমতা হারাতে পারে।
৯. কোন লক্ষণ ছারাই কবুতর মারা যেতে পারে।


যে সকল মাধ্যমে  এ রোগটি হতে পারেঃ

১. আক্রান্ত কবুতর বাচ্চা কে খাওয়ানোর মাধ্যমে।
২. বাচ্চা থাকাকালীন সময়ে ক্রপ মিল্ক উৎপাদন এর সময়, ক্রপ মিল্ক জমে এটি হতে পারে।
৩. কবুতর এর টিস্যুতে আঘাতের কারনে।
৪. ভিটামিন এর অভাবে।
৫. আক্রান্ত কবুতরের এর লালা মিশ্রিত পানি সুস্থ কবুতর পান করলে।
৬. ধারালো খাদ্য কনার আঘাতের কারনে।

আক্রান্ত কবুতর এর জন্য করনীয় বিষয়ঃ

১. অসুস্থ কবুতর কে সুস্থ কবুতর থেকে আলাদা করা।
২.মুখের মধ্যে ঘা দেখাদিলে সেটি খুব সাবধানতার সাথে পরিস্কার করা। প্রথমে হালকা  করে  মুখের ঘা এর উপরের আবরন পরিষ্কার করতে হবে পরিষ্কার কাঠি দিয়ে যাতে রক্ত না বের হয় ।
৩. অভিজ্ঞ ব্যাক্তির পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা  চালিয়ে যাওয়া।

চিকিৎসাঃ

প্রোটোজোয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে এমন এন্টিপ্রোটোজোয়াল ঔষধ ক্যাংকার রোগ এর জন্য খাওয়ানো যেতে পারে। নিজে ঔষুধ প্রয়োগ না করে  অভিজ্ঞ চিকিৎসক এর পরামর্শ নেয়াটা উত্তম।


প্রতিরোধে করনীয়ঃ

১. জীবানুমুক্ত খাবার পরিবেশন।
২. ধারালোযুক্ত খাবার পরিহার করা।
৩. নিয়মিত ভিটামিন প্রয়োগ।
৪. খামারের জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।


প্রয়োজনীয় পোষ্ট পেতে আমাদের ব্লগটি Follow  করুন এবং আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকবেন এবং কোথাও ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।
আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।

আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা   ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।

আল্লাহ হাফেজ

স্ট্যাডি ও তথ্য সংগ্রহঃ বিভিন্ন রিসার্চ আর্টিকেল,পিজন রিলেটেড বই,ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা,বিভিন্ন খামারি ও ভেটেরিয়ানদের পরামর্শ।

তথ্য সংগ্রহে এবং লেখকঃ-
জাকারিয়া হাসান এমরান
Admin
Pigeon Healthcare In BD

   *******Thank You *******