কবুতরের পক্স একটি ভাইরাল রোগ যা সাধারণত গ্রীষ্মকালীন সময়ে আনেক বেশি পরিমানে হয়ে থাকে যখন মশার  উপদ্রব বেশি থাকে। কেননা মশাকে এ রোগের বাহক হিসাবে ধরাহয়।যদিও অনান্য পোকামাকড় এর কারনেউ এ রোগটি বিস্তার লাভ করতে পারে তথাপিও মাশাই এ রোগের মূল বাহক হিসাবে ধরা হয়।

যাথাযত সময়ে কিছু বারতি পরির্চযা ও টিকা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিরোধ যোগ্য। বয়স্ক কবুতর এ রোগে মারা না গিলেউ বাচ্চা কবুতর এর জন্য ব্যাপক ক্ষতির  কারন হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশে গোটা হওয়া এর মুল লক্ষণ হিসেবে ধরাহয়।মশা নিয়ন্ত্রণ করাই পক্স থেকে বাঁচার উত্তম উপার, মশা নিয়ন্ত্রণ ছারা এটা প্রতিরোধ সম্ভাব নয়।


কবুতরের পক্স এর লক্ষণঃ

১. নাকের চারপাশে গোটা হওয়া।
২. নাভি সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এই গোটা দেখাদিতে পারে।
৩. মাঝে মাঝে কবুতরের গালের মদ্ধেও হতে পারে।যাকে Wet pox বলা হয়।

কবুতরের পক্স এর চিকিৎসাঃ

 আমি এখানে চিকিৎসার কতগুলো মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করবো যেটা আপনার কাছে সহজ বলে মনে হবে আপনি নেই নিয়ম টি অনুসরন করুন।

চিকিৎসা  পদ্ধতি  - ১।

i-  হলুদ গুরা।
ii- সরিষার তেল।

দুইটা একসাথে মিশিয়ে পেষ্ট করে গোটাতে লাগিয়ে দিবেন, দিনে ২ বার।সেরে না ওঠা পর্যন্তুু।

চিকিৎসা পদ্ধতি - ২।

i- পটাস।
ii- খাবার চুন।

এই দুটো পেষ্ট তৈরি করে গোটায় কটন বার দিয়ে আস্তে আস্তে লাগিয়ে দিবেন দিনে দুইবার সেরে না ওঠা পর্যন্তুু।


চিকিৎসা পদ্ধতি - ৩।

 i- প‌েনভ‌িক।

 একটা প‌েনভ‌িক  ট্যাবল‌েট নিন সেটাকে ২ টা ভাগ করুন সকালে অর্ধেক বিকালে অর্ধেক ৫/৭ দিন।


আমি তিনটা পদ্ধতি আলোচনা করলাম এছারাও আরো অনেক ঔষুধ বাজারে রয়েছে, আক্রান্তের ধরন অনুযায়ী অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা প্রদান করুন।



কবুতরের পক্স প্রতিরোধে করনীয়ঃ

১. কবুতরের থাকার জায়গা বা লফ্ট নিয়মিত পরিস্কার রাখুন।
২. পরজীবি নিয়ন্ত্রণ করুন।লফ্টে পরজীবি নিয়ন্ত্রক স্প্রে ব্যাবহার করুন। বিশেষ করে মশা নিয়ন্ত্রণ করুন।
৩. লফ্টের চারিপাশ পরিস্কার পরিছন্ন রাখুন।



প্রয়োজনীয় পোষ্ট পেতে আমাদের ব্লগটি Follow  করুন এবং আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে আমাদের সংঙ্গে থাকবেন এবং কোথাও ভুলহলে ক্ষমাসুন্দর দৃৃষ্টিতে দেখার অনুুরোধ রইলো।
আপনাদের ভালোবাসাই আমদের আগামীর পথ চলার পাথেয় ।

আপনাদের সকলের শারীরিক সুস্থতা   ও সকলের কবুতর গুলোর সুস্থতা কমনা করে শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে।সবাই ভালো থাকবেন।

আল্লাহ হাফেজ

স্ট্যাডি ও তথ্য সংগ্রহঃ বিভিন্ন রিসার্চ আর্টিকেল,পিজন রিলেটেড বই,ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা,বিভিন্ন খামারি ও ভেটেরিয়ানদের পরামর্শ।

তথ্য সংগ্রহে এবং লেখকঃ-
জাকারিয়া হাসান এমরান
Admin
Pigeon Healthcare In BD

   *******Thank You *******